ক্যারিয়ার পরামর্শ সংক্রান্ত
ইনবক্সে অনেকে পরামর্শ চান। সব পড়ি কিন্তু সময়ের অভাবে সবাইকে জবাব দেয়া দিন দিন কঠিন হয়ে গেছে। ৪০+ হাজার ফ্যান ফলোয়ার। কয়েকশত ব্লক করতে হয়েছিল যাদের মধ্যে কাউকে কাউকে পরামর্শ দিয়েছি, এমনকি সামনা-সামনি মিটিং করে অনেক সময় পর্যন্ত দিয়েছি। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় পথ ভিন্ন হয়ে যায়।
এই চ্যালেঞ্জিং সময়ের প্রেক্ষিতে মোটাদাগে যে কাজগুলো করলে ক্যারিয়ারে ভাল করা সহজ হতে পারে-
১। প্রথমত, চাইতে হবে, আমি ভাল করতে চাই। এটাই আসলে সব পার্থক্য গড়ে দেয়। এটা জানা থাকলে ধৈর্য ধরে স্কিল শেখা সহজ হয়।
২। শিক্ষকদের অন্তর থেকে সন্মান করা এবং তাদের সাথে পজিটিভ কাজের উদ্দেশ্য সুসম্পর্ক গড়ে তোলা। উচ্চশিক্ষায় স্কলারশীপ পেতে শিক্ষকের বিকল্প তেমন একটা নেই।
৩। পিতামাতাকে শ্রদ্ধা করা, তাদের কাজে সহযোগিতা করা। তারা যেন ব্যবহারে অন্তর থেকে খুশী হন এমনভাবে চলা। যারা পিতামাতার বাধ্যগত সন্তান হবে আল্লাহর রহমত তার উপর বর্ষিত হয়। এমনকি তাদেরকে রিজিকের সমস্যা আল্লাহ সমাধান করে দেন।
৪। ধর্মে-কর্মে সিনসিয়ার হওয়া। মুসলিম ছেলে শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে তাবলীগে কিছু সময় কাটালে ফোকাস থাকা অনেক বেশী সহজ হবে।
৫। সামাজিক কাজে জড়িত হওয়া সেটা যতই ছোট হোক না কেন।
৬। ফেসবুকে তর্কে জড়িত না হওয়া। পারতপক্ষে সিনিয়রদের সাথে ইচ্ছা করে বেয়াদবি না করা। এমন হতে পারে যার সাথে বাজে বিহেভ করছেন তিনি আপনার জব রিক্রুটরা হতে পারে।
৭। অনলাইনে নিজের উপস্থিতি গড়ে তোলা। আর্টিকেল বা ব্লগ লেখা (ইংরেজিতে)।
৮। ফেসবুক প্রোফাইল আবোল-তাবোল জিনিস দিয়ে ভর্তি না করা। এখন প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান জবে নিয়োগ দেয়ার আগে ফেসবুক প্রোফাইল চেক করে। প্রসংগত, আমার সাথে নতুন কেউ দেখা বা পরামর্শ চাইলে আমি আগে ফেসবুক প্রোফাইল চেক করে তার সম্পর্কে একটা ধারনা নিয়ে ফেলি যা সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাব ফেলে।
৯। দুই-একজন ভাল বন্ধু থাকা উচিত যাদের সংস্পর্শে পজিটিভ কাজে আগ্রহ তৈরী হয়।
১০। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুমানো (একটানা ৮ ঘন্টার মত)
সর্বোপরি আল্লাহ কাছে সন্মানের সাথে হালাল রিজিকের জন্য প্রতিনিয়ত কায়মনে প্রার্থনা করা।
©️ sorowar sir
0 Comments