Ad Code

রিসার্চ নিয়ে কমন অনেক মিসকন্সেপশন

রিসার্চ নিয়ে কমন অনেক মিসকন্সেপশনের মধ্যে একটা হচ্ছে - পেইড জার্নাল মানেই সাস্পিশিয়াস কিছু কিংবা প্রিডেটরি। এই ভুলটা আমরা অনেকেই করে থাকি। আসেন ভুল কাটানো যাক।

দুনিয়ার সমস্ত জার্নালকে তিনটা সিম্পোল ক্যাটাগরিতে ফেলানো যায়, ১. সাবস্ক্রিপশন ২. ওপেন এক্সেস ৩. হাইব্রিড (Both 1 & 2)
যেসব জার্নাল সাবস্ক্রিপশনাল এগুলোতে অথোর দের পে করতে হয়না, কিন্তু রিডার দের পে কইরা, আর্টিকেল কিনে পড়তে হয়।
আর ওপেন এক্সেস জার্নালে অথোর রা APC (Application Processing Charge) দেয়, যার কারনে রিডাররা আর্টিকেল ফ্রীতে পড়তে পারে। রিডার কিংবা রিসার্চারদের সুবিধার্থে অনেক ল্যাব ই ওপেন এক্সেস জার্নাল প্রেফার করে। সেইসাথে নিজেদের সাইটেশন বাড়ানোর একটা সুযোগ থাকে, যেহেতু ফ্রীতে ডাউনলোড করা যাচ্ছে। আরেকটা সুবিধা হচ্ছে এরা সাবস্ক্রিপশনের চেয়ে বেশ কম সময় নিয়ে পেপার রিভিউ করে জেনারেলি।

দুনিয়ার তাবত সব বাঘা বাঘা পাব্লিশার যেমন - Nature, Springer, IEEE, Elsevier, MDPI, etc. এর শত শত ওপেন এক্সেস জার্নাল আছে যেগুলোতে ১০০০-৪০০০ ইউরো পর্যন্ত APC দিতে হয়, তাই বলে এইসব জার্নালকে কখনো প্রিডেটরি ভাবার সুযোগ নাই।

এখন তাহলে প্রশ্ন, কীভাবে বুঝবো কোন জার্নাল ভালো আর কোন টা প্রিডেটরি। 

প্রথম সহজ উপায় হচ্ছে, পাব্লিশার কারা সেইটা দেখতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পাব্লিশার ভালো/রিনোউন্ড হলে জার্নাল ও ভালো হবে এটা ধরে নেয়া যায়।

সেকেন্ড একটা সহজ উপায় হচ্ছে জার্নালের নামের পাশে SCIMAGO লিখে গুগোল করলে জার্নালের ২ টা ইন্ডেক্সিং দেখায়, H-INDEX এবং Quartile. Q1-Q2-Q3-Q4 যেকোনো ইন্ডেক্সিং এ পড়লেই আমার মতে জার্নালের কোয়ালিটি বেশ ভালোই বলা চলে।

এছাড়াও, Impact Factor দেখেও জার্নালের গুনাগুন পরিমাপ করা যায়। আবার, Scopus এ জার্নালের পার্সেন্টাইল দেখা যায়। ইভেন গুগোল স্কলারও জার্নালের র‍্যাঙ্কিং এবং ইন্ডেক্সিং দেয়। তবে ওয়েব অফ সাইন্সের ইন্ডেক্সিং মেইবি সবচেয়ে বেশি এক্যুরেট।

এইরকম বিভিন্ন ভাবেই, একটা জার্নাল মানসম্মত কিনা সেটা যাচাই করা যায়। তবে যেসব জার্নাল নতুন সেগুলোর হয়তো ইন্ডেক্সিং কম থাকবে, স্কোর কম থাকবে কিংবা থাকবেই না, তাই বলে এগুলোকে ধপাস করে প্রিডেটরি বলে দেয়া যাবেনা। ফার্দার রিসার্চ করা জরুরি।

আশাকরি কনফিউশান মোটামুটি ক্লিয়ার।
©️ M Kabir Bhai

Post a Comment

0 Comments

Close Menu