সবারই ইচ্ছা নিজের নামে রিসার্চ আর্টিকেল থাকুবে। তবে একটা আর্টিকেল প্রকাশ করার বেলায় অবশ্যই আপনাকে গবেষণা শিখে তারপর আর্টিকেল প্রস্তুত করতে হবে।
তবুও এখানে অনেকে আছেন, এক সময় থিসিস করেছেন; কিন্তু সেটা পাবলিশ করতে পারেন নি। আমি বলবো আমাদের ক্লাস গুলো যখন চলতে থাকবে; আপনি বুঝে যাবেন যে আপনার থিসিস আদৌ ঠিকমতো লেখা হয়েছে কি না!
ঠিক থাকলে আমাদের সহায়তায় সেটা দ্রুতই জার্নালে জমা দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। ১২/১৩ টি লেকচার কমপ্লিট হলেই বুঝে যাবেন এটা আদৌ পাবলিকেশনের যোগ্য কি না! আপনি নিজেই বুঝবেন; তবুও এরপর আমাদেরকে দেখিয়ে নেবেন।
যাদের থিসিস নেই তাদের একদম চিন্তার কিছু নেই। আমার নিজের সবগুলো আর্টিকেল আমার একক চেষ্টার ফল, কোন থিসিস থেকে নয়।
১৩ তম লেকচারে আমি আপনাদেরকে কিছু কিছু টাইপের আর্টিকেল লেখা ; হাতে-কলমে শিখিয়ে দেবো।
পূর্বের Batch এ আমরা এভাবে বেশ কিছু ভালো পাবলিকেশন করেছি। আপনারাও এসাইনমেন্টের অংশ হিসেবে সেটি জমা দিবেন। লেখাগুলো স্ট্যান্ডার্ড হলেই জার্নালে জমা দিয়ে প্রকাশ করার চেষ্টা করা হবে।
আর হ্যাঁ, কোর্স যখন শেষ হবে আপনারা নিজেরাই সমস্ত প্রসিডিউর বুঝে যাবেন।
এছাড়া আগে আমাদের তিন মাস পরপর ব্যাচ হতো ; কিন্তু আমরা এই ব্যাচের পরে আগামী ৪/৫ মাসে আর কোন ব্যাচ করবো না। ফলে আপনাদের যেকোনো বিষয় অনেক গভীরভাবে শেখার সুযোগ হবে এবং আমরাও অনেক সময় নিয়ে চেষ্টা করবো।
অনেকেই হয়তো ওয়ান-টু-ওয়ান অনেক বেশি হেল্পের আশা করছেন। সেই জায়গাটাতে আমরা খুব বেশি হয়তো সাহায্য করতে না পারলেও ক্লাসেই এমন ভাবে শেখানোর চেষ্টা করা হবে যেন আপনি নিজেই কাজ করতে পারেন। এরপরও আপনাদের জন্য আমাদের ইনবক্স সবসময় ওপেন থাকবে। সময়-সুযোগ করে যে কোন প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
শিখতে থাকুন; শেখার আনন্দটাই অন্যরকম, শুভকামনা সবার জন্য।
0 Comments